সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের ছয় উপজেলার অন্তত ৩০ গ্রামের মুসলমানরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন।
পশু কোরবানি
প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য কোরবানি করা আবশ্যক। তবে পশু নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে কোরবানি করতে হয়।
কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরবানির গুরুত্ব প্রসঙ্গে মহান রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য কোরবানি নির্ধারণ করেছি, যাতে তারা হালাল পশু জবেহ করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।’ (সূরা হজ, আয়াত : ৩৪)
ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পশু কোরবানি করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
ত্যাগের মহিমা নিয়ে উদযাপিত হলো মুসলিম জাহানের বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। আনন্দ আর খুশিকে ছাপিয়ে এ দিনটিতে বড় বিষয় ত্যাগের শিক্ষা।
ইসরায়েলের বাধায় পশু কোরবানি করতে পারেনি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা। দখলদার বাহিনী গাজার সব কয়টি সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ করে দেয়। কোরবানির পশু প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে।
সামর্থ্যবান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে পশু কোরবানি করছেন। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে চলছে এই ধর্মীয় উপাচার। মহান আল্লাহর অপার অনুগ্রহ লাভের আশায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি শুরু হয়। যা ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত চলবে।
চলতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহায় সারাদেশে ৯০ লাখ ৯৩ হাজার পশু কোরবানি করা হয়েছে। যার মধ্যে ৪০ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৯টি গরু-মহিষ, ৫০ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৮টি ছাগল-ভেড়া ও অন্যান্য ৭১৫টি গবাদিপশু রয়েছে।